• ২৭ পৌষ ১৪৩২, মঙ্গলবার ১৩ জানুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

US

বিদেশ

ইরানকে ঘিরে উত্তেজনা ক্রমেই বাড়ছে! যে কোনও মুহূর্তে হামলা চালাতে পারে আমেরিকা

সরকার বিরোধী বিক্ষোভে উত্তাল ইরান। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল হয়ে উঠছে। এমন অবস্থায় যে কোনও মুহূর্তে ইরানে হামলা চালাতে পারে আমেরিকা, এমন আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুমকির পর আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ আরও বেড়েছে। এই পরিস্থিতিতে ইরানে থাকা ভারতীয় নাগরিকদের নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তায় নয়াদিল্লি।গত বছরের শেষ দিকে ব্যবসায়ীদের প্রতিবাদ থেকেই ইরানে এই আন্দোলনের শুরু। মাত্র দুসপ্তাহের মধ্যেই তা গোটা দেশে ছড়িয়ে পড়ে। রাস্তায় নেমেছেন প্রায় ১৫ থেকে ১৮ লক্ষ মানুষ। সরকার বিরোধী এই বিক্ষোভে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের সরকার কড়া দমন নীতি নিয়েছে বলে অভিযোগ।দেশ জুড়ে ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। অনেক এলাকায় ব্ল্যাকআউট জারি রয়েছে। বিমান পরিষেবাও কার্যত বন্ধ। ফলে সাধারণ মানুষের সঙ্গে বাইরের দুনিয়ার যোগাযোগ প্রায় বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় সরকারের একটি সূত্র জানিয়েছে, ইরানের পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখা হচ্ছে। সেখানে থাকা প্রবাসী ভারতীয়দের নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তাভাবনা চলছে। প্রয়োজন হলে কীভাবে তাঁদের দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনা যায়, সেই বিষয়েও পরিকল্পনা শুরু করেছে নরেন্দ্র মোদি সরকার।এদিকে নরওয়ের একটি বেসরকারি সংগঠন রবিবার একটি বিবৃতিতে দাবি করেছে, বিক্ষোভ ও সরকারি দমন-পীড়নের জেরে এখনও পর্যন্ত অন্তত ১৯২ জনের মৃত্যু হয়েছে। তবে ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ থাকায় তথ্য যাচাই করা কঠিন হয়ে পড়েছে। ফলে মৃতের প্রকৃত সংখ্যা আরও অনেক বেশি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।এছাড়াও ইরানের বিভিন্ন চিকিৎসা কেন্দ্র ও ত্রাণ শিবিরে হামলার খবর সামনে এসেছে। সব মিলিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের এই দেশটি এখন কার্যত অগ্নিগর্ভ অবস্থায় রয়েছে।

জানুয়ারি ১১, ২০২৬
বিদেশ

প্রেসিডেন্টের আদেশ মানতে নারাজ সেনা! গ্রিনল্যান্ড নিয়ে আমেরিকায় ফাটল

গ্রিনল্যান্ড দখল করতে প্রয়োজনে সামরিক অভিযান চালানো হতে পারে, এমন হুঁশিয়ারি আগেই দিয়েছিল ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন। সেই মতো মার্কিন সেনার বিশেষ বাহিনীকে হামলার পরিকল্পনা তৈরি করে রাখার নির্দেশও দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে ডেনমার্কের নিয়ন্ত্রণে থাকা গ্রিনল্যান্ডে হামলা চালাতে রাজি নন মার্কিন সেনার একাংশ শীর্ষ আধিকারিক।সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেল একটি মার্কিন প্রশাসনিক সূত্রকে উদ্ধৃত করে জানিয়েছে, ট্রাম্প সেনার জয়েন্ট স্পেশাল অপারেশনস কমান্ডকে গ্রিনল্যান্ডে সামরিক অভিযানের সব রকম পরিকল্পনা প্রস্তুত রাখতে বলেছেন। কিন্তু মার্কিন সেনার জয়েন্ট চিফ অফ স্টাফেরা কার্যত এই নির্দেশের বিরোধিতা করেছেন। তাঁদের বক্তব্য, এ ভাবে গ্রিনল্যান্ডে হামলা চালানো আইনবিরোধী এবং এমন সিদ্ধান্তে কখনওই সায় দেবে না মার্কিন কংগ্রেস।ওই সূত্রের দাবি, ডোনাল্ড ট্রাম্প দীর্ঘ দিন ধরেই গ্রিনল্যান্ডে হামলা চালানোর কথা ভাবছেন। তবে সেনা আধিকারিকেরা বারবার তাঁর দৃষ্টি অন্য দিকে ঘোরানোর চেষ্টা করছেন। কখনও আটলান্টিক মহাসাগরে রুশ জাহাজের তৎপরতার কথা তুলে ধরা হচ্ছে, আবার কখনও ইরানে হামলা চালানোর প্রসঙ্গ তোলা হচ্ছে।সূত্রের আরও দাবি, ট্রাম্পের রাজনৈতিক উপদেষ্টা স্টিফেন মিলার গ্রিনল্যান্ডে সামরিক অভিযান চালানোর বিষয়ে সবচেয়ে বেশি আগ্রহী। ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে অপহরণ করে আমেরিকায় আনার পরিকল্পনার পর থেকেই তাঁর নজর গ্রিনল্যান্ডের দিকে যায়। তাঁর আশঙ্কা, আমেরিকা দেরি করলে রাশিয়া বা চিন সেখানে নিজেদের প্রভাব বাড়িয়ে ফেলতে পারে।ডেইলি মেলকে এক ব্রিটিশ কূটনীতিক জানিয়েছেন, ট্রাম্প নিজেও গ্রিনল্যান্ড দখল করতে আগ্রহী। তাঁর মতে, দেশে লাগামছাড়া মূল্যবৃদ্ধির কারণে সাধারণ মানুষ ক্ষুব্ধ। সেই ক্ষোভ থেকে নজর ঘোরাতেই কখনও ভেনেজুয়েলা, কখনও গ্রিনল্যান্ড, আবার কখনও ইরানে হামলার কথা ভাবছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।চলতি বছরের শেষেই আমেরিকায় মধ্যবর্তী নির্বাচন হওয়ার কথা। ট্রাম্পের আশঙ্কা, দেশের অর্থনৈতিক মন্দা ভোটের ফলাফলে বড় প্রভাব ফেলতে পারে। তাতে সুবিধা পেতে পারে ডেমোক্র্যাটরা এবং কংগ্রেস তাদের দখলে চলে যেতে পারে। সেই কারণেই বড় কোনও পদক্ষেপ নিয়ে পরিস্থিতি নিজেদের পক্ষে ঘোরাতে চাইছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট, এমনটাই মনে করছেন কূটনৈতিক মহলের একাংশ।

জানুয়ারি ১১, ২০২৬
বিদেশ

নোবেল না পেয়েই রাগ! ভেনেজুয়েলার পর এবার মধ্যরাতে সিরিয়া আক্রমণ ডোনাল্ড ট্রাম্পের

থামার কোনও লক্ষণ নেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের। ভেনেজ়ুয়েলার পর এবার সিরিয়ায় হামলা চালাল আমেরিকা। মধ্যরাতে সিরিয়ার একাধিক এলাকায় অভিযান চালানো হয়েছে বলে দাবি করেছে মার্কিন প্রশাসন। ট্রাম্পের দাবি, ইসলামিক স্টেট জঙ্গিগোষ্ঠীর ঘাঁটি লক্ষ্য করেই এই হামলা চালানো হয়েছে।ডিসেম্বরের পর জানুয়ারিতে ফের সিরিয়ায় সামরিক অভিযান চালাল আমেরিকা। গত ডিসেম্বরেই সিরিয়ার উপর বড়সড় অভিযান চালিয়েছিল মার্কিন সেনা। সেই অভিযানে দুজন মার্কিন সেনা ও এক জন অনুবাদক নিহত হন। ওই অভিযানের নাম ছিল অপারেশন হক আই স্ট্রাইক। এবার সেই একই অভিযানের আওতায় ফের হামলা চালানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড একটি বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে, সিরিয়া জুড়ে সক্রিয় আইসিস জঙ্গিদের লক্ষ্য করেই এই অভিযান চালানো হয়েছে। তবে এই হামলায় কত জন আইসিস জঙ্গি নিহত হয়েছে, সে বিষয়ে কোনও নির্দিষ্ট তথ্য জানানো হয়নি।মার্কিন সেনার তরফে আরও জানানো হয়েছে, এই অভিযানে তাদের এক সহযোগী বাহিনী সাহায্য করেছে। তবে সেই বাহিনী সিরিয়ার সেনা না অন্য কোনও গোষ্ঠী, তা স্পষ্ট করা হয়নি। এই বিষয়ে পেন্টাগনও কোনও মন্তব্য করতে রাজি হয়নি। বর্তমানে সিরিয়ায় এক হাজারেরও বেশি মার্কিন সেনা মোতায়েন রয়েছে।উল্লেখ্য, গত ১৩ বছর ধরে গৃহযুদ্ধ চলছে সিরিয়ায়। ২০২৪ সালে প্রেসিডেন্ট বাসার আল আসাদ ক্ষমতাচ্যুত হন। তাঁর জায়গায় ক্ষমতায় আসেন বিদ্রোহী গোষ্ঠীর নেতা আহমেদ আল সারাহ। নতুন সিরিয়া সরকার বর্তমানে আইসিস বিরোধী অভিযানে আমেরিকার সঙ্গে সহযোগিতা করছে।

জানুয়ারি ১১, ২০২৬
বিদেশ

কারাকাসে রাতভর বিস্ফোরণ, শুরু কি আমেরিকার সরাসরি হামলা?

মাথার উপর দিয়ে একের পর এক বিমান উড়ছে, লাগাতার বিস্ফোরণের শব্দ। শনিবার ৩ জানুয়ারি ভোর থেকেই ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়েছে। শহরের বিভিন্ন জায়গায় গোলাবর্ষণ ও বিস্ফোরণের খবর মিলেছে। প্রশ্ন উঠছে, তবে কি ভেনেজুয়েলার উপর সরাসরি মার্কিন হামলা শুরু হয়ে গেল?সংবাদসংস্থা এএফপি জানিয়েছে, স্থানীয় সময় রাত ২টো নাগাদ প্রথম বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। এরপর একের পর এক বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে গোটা কারাকাস। ভেনেজুয়েলার প্রধান সামরিক ঘাঁটি ফোর্ট টিউনা এবং লা কার্লোটা এলাকায় সামরিক বিমান উড়তে দেখা গিয়েছে। রাজধানীর প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের কাছেও বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে।চোখে দেখা প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, আকাশে বারবার মার্কিন সেনার অ্যাপাচে ও চিনুক হেলিকপ্টার উড়তে দেখা গিয়েছে। মিরান্ডা এলাকার বিমানবন্দরেও বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া গেছে। বিশেষজ্ঞদের একাংশের অনুমান, সারফেস টু এয়ার মিসাইল ব্যবহার করে এই হামলা চালানো হয়ে থাকতে পারে। তবে এখনও পর্যন্ত মার্কিন সরকার বা প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হামলার কথা আনুষ্ঠানিক ভাবে স্বীকার করেননি।অন্যদিকে, ভেনেজুয়েলার সেনা এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, দেশের উপর হামলা হয়েছে। রাজধানী কারাকাসে বিদ্যুৎ পরিষেবা বন্ধ হয়ে গিয়েছে এবং গোটা শহর অন্ধকারে ডুবে রয়েছে। দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ভবন ও প্রেসিডেন্ট ভবনের নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর নির্দেশে সেনা পাল্টা লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত বলে জানিয়েছে প্রশাসন। মার্কিন আগ্রাসনের ফলে বিপুল প্রাণহানির আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। মাদুরো সরকার দাবি করেছে, ভেনেজুয়েলার তেল ও খনিজ সম্পদের দখল নিতেই এই হামলা চালানো হচ্ছে।এর আগেও ভেনেজুয়েলার বিরুদ্ধে মাদক পাচার ও সন্ত্রাস ছড়ানোর অভিযোগ তুলেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। সেই অভিযোগে অতীতে মাদক বোঝাই জাহাজে হামলার ঘটনাও ঘটেছে। তবে রাজধানী কারাকাসে এই ধরনের ব্যাপক বিস্ফোরণের ঘটনা আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে উদ্বেগ বাড়িয়েছে।

জানুয়ারি ০৩, ২০২৬
দেশ

মহা টুইস্ট! বাইজুর বিরুদ্ধে ‘বিলিয়ন ডলারের ষড়যন্ত্র’? আদালতে বিস্ফোরক তথ্য ফাঁস

বাইজুর বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রে দেওয়া আগের রায় পাল্টে দিল ডেলাওয়ারের দেউলিয়া আদালত। প্রায় দুই সপ্তাহ আগে বাইজু রাভীন্দ্রনকে ১.০৭ বিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ দিতে নির্দেশ দিয়েছিল আদালত। অভিযোগ ছিল, বাইজুর সাবসিডিয়ারি Byjus Alpha-র টাকা অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল। তবে নতুন শুনানিতে আদালত জানায়, ক্ষতিপূরণের পরিমাণ এখনো ঠিক হয়নি। জানুয়ারি ২০২৬-এ নতুন পর্বে শুরু হবে ক্ষতির হিসেব নির্ধারণের প্রক্রিয়া।এর আগে আদালত বলেছিল, একাধিকবার নির্দেশ অমান্য করেছেন রাভীন্দ্রন। তাই চারটি আলাদা গণনায় মোট ১.০৭ বিলিয়ন ডলার দিতে হবে এবং সম্পূর্ণ হিসেব দিতে হবে Alpha Funds-এর। Byjus Alpha তৈরি হয়েছিল ২০২১ সালে ১.২ বিলিয়ন ডলারের টার্ম লোন তোলার জন্য। ঋণদাতারা দাবি করেছিলেন, এর মধ্যে ৫৩৩ মিলিয়ন ডলার রাউন্ড-ট্রিপ করে রাভীন্দ্রন ও তাঁর সংস্থাগুলিতে গেছে। যদিও বাইজুর প্রতিষ্ঠাতা পক্ষ এই অভিযোগ নস্যাৎ করেছেন।নতুন সিদ্ধান্তের পরে রাভীন্দ্রনের আইনজীবীরা পাল্টা দাবি তুলেছেন যে ঋণদাতা GLAS Trust এবং অন্যান্যরা আদালত ও জনসাধারণকে ভুল তথ্য দিয়েছেন। তাঁদের অভিযোগ, এই ভুল তথ্যের জেরে কোম্পানি ভেঙে পড়েছে, প্রায় ৮৫,০০০ মানুষ চাকরি হারিয়েছেন এবং ২৫ কোটি ছাত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। রাভীন্দ্রন জানিয়েছেন, তিনি আদালতে প্রমাণ দেখাবেন যে ৫৩৩ মিলিয়ন ডলার ব্যক্তিগত সুবিধার জন্য নয়, বরং নিয়ম মেনে Think Learn-এ বিনিয়োগ করা হয়েছিল।আইনজীবীদের দাবি, GLAS Trust জানতে না পারার যে দাবি করেছে, তা মিথ্যা। ২০২৫ সালের এপ্রিল থেকেই তাদের কাছে থাকা নথি প্রমাণ করে যে Alpha-তে পাঠানো টাকা ভারতীয় আইন মেনে কোম্পানিতে ফিরেই বিনিয়োগ হয়েছিল।রাভীন্দ্রন আরও বলেন, আদালতকে বিভ্রান্ত করা হয়েছে এবং এই ভুল তথ্যের জন্য GLAS Trust ও সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে তিনি নতুন আইনি ব্যবস্থা নিতে পারেন। তাঁর পক্ষের আইন উপদেষ্টা জানিয়েছেন, বছরের শেষের আগেই ২.৫ বিলিয়ন ডলারের পাল্টা মামলা দায়ের করা হবে।

ডিসেম্বর ১১, ২০২৫
দেশ

হঠাৎ রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, কারণ ঘিরে চর্চা তুঙ্গে!

রাষ্ট্রপতি ভবনে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতি। শনিবার রাইসিনা হিলসে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সাক্ষাৎ করলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে। বৈঠকের একটি ছবি রাষ্ট্রপতি নিজেই এক্স-এ পোস্ট করলেও, আলোচনার বিষয়বস্তু নিয়ে কোনও সরকারি ব্যাখ্যা আসেনি। ফলে জল্পনা ছড়িয়েছে রাজনৈতিক মহলে।প্রধানমন্ত্রী সম্প্রতি জাপান ও চিন সফর শেষ করে দেশে ফিরেছেন। কূটনৈতিক দিক থেকে দুই সফরই গুরুত্বপূর্ণ হলেও, বিশেষ নজর কাড়ছে চিন সফর। সাংহাই কর্পোরেশন অর্গানাইজেশন (এসসিও)-এর সম্মেলন ঘিরে গড়ে ওঠা অনানুষ্ঠানিক মিত্রতার সমীকরণ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সম্মেলনে শি জিনপিং ও ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে মোদীর বৈঠককে কেন্দ্র করে বিশ্ব কূটনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে, যা আমেরিকাকেও অস্বস্তিতে ফেলেছে। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ভারতের অবস্থান পুনর্নির্মাণে এই সফর তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল।তবে শুধু বৈদেশিক সম্পর্কই নয়, অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেও এই বৈঠকের আলাদা গুরুত্ব রয়েছে। কেননা, ৯ই সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হতে চলেছে উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচন। বর্তমান উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়ের উত্তরসূরি কে হবেন, তা ঠিক করতে এখন রাজনৈতিক হিসাব-নিকাশের সময়। এমন পরিস্থিতিতেই রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর একান্ত আলাপকে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।রাষ্ট্রপতির সঙ্গে এই বৈঠক আদৌ কি আন্তর্জাতিক কূটনীতি নিয়ে আলোচনা, নাকি আসন্ন উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক প্রস্তুতির ইঙ্গিত? উত্তর স্পষ্ট না হলেও, নয়াদিল্লির ক্ষমতার কেন্দ্রে নতুন সমীকরণের গুঞ্জন ইতিমধ্যেই জোরালো হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ০৬, ২০২৫
টুকিটাকি

সাবধান! বাচ্চা মোবাইলে আসক্ত? জানেন কি কি ক্ষতি হতে পারে?

কেউ হয়তো জিজ্ঞেস করেই যাচ্ছে তোমার নাম কি? কোন ক্লাসে পড়? কে শোনে কার কথা। তখন সে একেবারে ভিন্ন জগতে। ওই কথা সে শুনতেই পাচ্ছে না। কারণ তখন বাচ্চাটি মোবাইলের স্ক্রিণের দিকে এক দৃষ্টে তাকিয়ে আছে। তার জগত তখন 6-7ইঞ্চির স্ক্রিণ। আজকের ডিজিটাল যুগে স্মার্ট ফোন একটি অত্যাবশ্য়ক যন্ত্র। যা হাতের মুঠোয় মেলে ধরেছে গোটা পৃথিবী। এক দশক আগেও যা ছিল কেবল যোগাযোগের মাধ্যম। এখন তা বিনোদন ও জ্ঞানের ভান্ডার। যার ব্যবহার দৈনন্দিন জীবন যাপন সহজলভ্য করে তুলেছে। বড় থেকে ছোট সকলেই এখন মোবাইলে আসক্তি গ্রস্ত।তবে স্মার্ট মোবাইল তার বিস্তর প্রভাব ফেলছে শিশু মনের উপর। শিশুরা অত্যাধুনিক খেলনা হিসেবে মোবাইলকে বেছে নিয়েছে। তারা ভুলে গিয়েছে খেলনা গাড়ির কথা, পুতুল পুতুল খেলা। নিদেনপক্ষে দুষ্টুমিও। সব যেন মোবাইল কেন্দ্রীক। এখন বাস, ট্রেন, বিমান বা শপিং মলেও বাচ্চাদের হাতে মোবাইল। নতুন নতুন গেমস, চমকদার কার্টুন, নিত্য নতুন শিক্ষণীয় বিষয়, শিশুদের বিশেষ আকর্ষণের কারণ। যার ফল স্বরূপ শিশুরা মোবাইলে স্ক্রিনে নিজেদের বন্দি করে রাখছে{ দিনের বেশ কিছুটা সময় এভাবেই তারা কাটিয়ে দেয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, মোবাইল শিশু মনের উপর বিরাট প্রভাব ফেলছে। যার নেগেটিভ দিকটাই বেশি। অতিরিক্ত সময় মোবাইলের স্ক্রিন দেখার জন্য তাঁদের চোখের সমস্যা দেখা দিছে। যেমন চোখ ড্রাই হয়ে যাওয়া, ঝাপসা দেখা, মাথা ব্যাথা হওয়া। সব থেকে বড় কথা, আসক্তির ফলে নিজের ওপরে নিয়ন্ত্রণ থাকছে না।তাছাড়া মোবাইলে এর আলো মস্তিষ্কের মেলাটোনিন হরমোন নিঃসরণে বাধা দেয়, যা ঘুমের ব্যঘাত ঘটায়। যার ফলে শিশুর মানসিক ও শারীরিক বিকাশ বাধাপ্রাপ্ত হচ্ছে। পড়াশুনায় মন বসছে না। অতিরিক্ত গেমস বা কার্টুন দেখার ফলে সামাজিক দূরত্ব বাড়ছে। সকলের সাথে মিলেমিশে থাকা বা বন্ধুদের সাথে মাঠ কিংবা পার্কে খেলাধুলার প্রবণতাও কমছে। যার ফলে তাঁদের মধ্যে একাকিত্ব ও অত্মবিশ্বাসের অভাব দেখা দিতে পারে।কিছু বাচ্চা মোবাইলে এতটাই আসক্ত যে মোবাইলে হাত থেকে নিলে তারা জেদ বা কান্নাকাটি করছে। এমনকি খুব রেগে যাচ্ছে। ছোট বয়সেই খিটখিটে হয়ে যাচ্ছে। বাবা-মা কথা বললেও বিরক্তি প্রকাশ করছে। এককথায় তাদের সামলানোই দুষ্কর হয়ে যায়। আবার অনেক গেমসে আসক্ত বাচ্চারা স্ক্রিন এর ভিতরের জগৎকে বাস্তব ভেবে অপরাধ মূলক কাজও করে ফেলছে।মোবাইল ফোনের অপব্যবহার বাচ্চাদের মধ্যে মানসিক চাপ ও উদ্বেগের মতো সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে। তবে কি মোবাইল ফোন সম্পূর্ণ বর্জন করতে হবে?তা কখনই সম্ভব না। আজকের যুগে মোবাইল একটি শক্তিশালী হাতিয়ার। শুধু দরকার এর সঠিক ব্যবহার, আর অভিভাবকদের সচেতনতার। কয়েকটি বিষয় যদি অভিভাবকরা একটু নজরে রাখেন তাহলেই মোবাইলের সঠিক ব্যবহার হবে। আর বাচ্চারাও এর আসক্তি থেকে মুক্তি পেতে পারে। তবে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, বাবা-মায়ের অতিরিক্ত মোবাইল ব্য়বহারেও বাচ্চা প্রভাবিত হতে পারে। সেক্ষেত্রে অভিভাবকদের সাবধান থাকতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে-* বাচ্ছাদের স্ক্রিন টাইমিং কমিয়ে, তাঁদের এক্সট্রা কারিকুলার একটিভিটিস যেমন অঙ্কন, নাচ, গান, বই পড়াতে উৎসাহিত করা।* ছোটরা মোবাইলে কী দেখছে সেদিকে যথেষ্ট সচেতন থাকা। অর্থাৎ নজর রাখা।* বাচ্ছাদের সাথে সময় কাটানো। গল্প শোনানো, খেলা, ঘুরতে যাওয়া। একসঙ্গে লাঞ্চ বা ডিনার করা।শতাব্দী পাল ঘোষ

এপ্রিল ২৬, ২০২৫
টুকিটাকি

Garlic: বহু সংকটের সহজ সমাধান রসুন

বহুগুণা রসুন। মাছ, মাংস, তরিতরকারি যা-ই রাঁধুন না কেন, রসুন লাগবে! হেঁশেলের নিত্য প্রয়োজনীয় এই উপাদান সাধারণত রান্নার স্বাদ বাড়াতে মশলা হিসাবেই ব্যবহার করা হয়। কিন্তু এর বাইরেও রসুন যে নানা কাজে লাগতে পারে, তা জানেন কি? রসুনের এই রকমই অজানা কয়েকটি ভূমিকার কথাই রইল এখানে।১) হজমের সমস্যা:হজমের সমস্যায় ভোগেন? ওষুধ না খেয়ে ভরসা রাখুন রসুনে। ১ কোয়া রসুন থেঁতো করে নিন। এ বার সেটি একটি চামচে রেখে উপরে আধ চা চামচ মধু ছড়িয়ে রোজ সকালে খালি পেটে খান। উপকার পাবেনই।২) ব্রণর সমস্যা: মুখে ব্রণর সমস্যায় জেরবার? তাতেও মুশকিল আসান হতে পারে এক টুকরো রসুন। রসুনের প্রদাহ নিরোধক উপাদান ব্রণর ব্যথা সারায়। এমনকী, ত্বকের ছিদ্রে থাকা ব্যাক্টিরিয়াও তাড়ায়। তাই ব্রণ সারাতে এক কোয়া রসুন কেটে নিয়ে ব্রণর জায়গায় ঘষুন।৩) খুশকি তাড়াতে:মাথার ত্বকে খুশকি হয়েছে? খুশকি তাড়িয়ে চুলের চিটচিটে ভাব দূর করবে রসুনই। কয়েক কোয়া রসুন থেঁতো করে তার সঙ্গে একটু মধু ভাল করে মিশিয়ে নিন। এ বার মিশ্রণটি মাথার ত্বকে লাগিয়ে হাল্কা মালিশ করে ১৫ মিনিট রাখুন। তার পর শ্যাম্পু করে চুল ধুয়ে নিন।৪) মশা তাড়াতে:মশা মারতে কামান দাগতে হবে না। ঘরে চাই সামান্য রসুন। রসুনের ৬-৮টি কোয়া ভাল করে থেঁতো করে সামান্য জল দিয়ে সিদ্ধ করতে দিন। হাল্কা আঁচে মিশ্রণটি রাখুন। ঠান্ডা করে ছেঁকে স্প্রে বোতলে ভরে নিন। ঘরের যে যে জায়গায় মশার উৎপাত বেশি, সেখানে স্প্রে করুন এই মিশ্রণ।৫) ব্যথা নিরাময়ে:হাতে কাঠ বা কাচের কুচি ঢুকে গিয়েছে? খুব ছোট এই জিনিসেও কিন্তু প্রবল ব্যথা হয়। এটি বার করা বেশ শক্ত। তবে ঘরোয়া উপায়েই রয়েছে সমাধান। কাচ বা কাঠের কুচি ঢুকে যাওয়া জায়গাটির উপর আধখানা রসুন দিয়ে ভাল করে ব্যান্ডেজ করে নিন। কিছুক্ষণ পর নিজে থেকেই বেরিয়ে আসবে কাচের কুচি।

অক্টোবর ০৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Novak Djokovic : আর ১ ম্যাচ জিতলেই ইতিহাসে ঢুকে যাবেন জকোভিচ

ক্যালেন্ডার স্ল্যাম থেকে মাত্র ১ ম্যাচ দুরে নোভাক জকোভিচ। ইউএস ওপেনের ফাইনালে ড্যানিল মেডভেদেভকে হারালেই এক বছরে সবকটি গ্র্যান্ড স্ল্যাম জেতার কৃতিত্ব অর্জন করবেন এই সার্বিয়ান টেনিস তারকা। সেমিফাইনালে আলেক্সজান্ডার জেরেভকে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছেন জকোভিচ। ম্যাচের ফল ৪৬, ৬২, ৬৪, ৪৬, ৬২। এই নিয়ে টানা ২৭ ম্যাচ অপরাজিত জকোভিচ। পাঁচ সেটের লড়াই শেষে ইতিহাসকে ধরার আর এক কদম দূরে দাঁড়িয়ে রয়েছেন বিশ্বের এক নম্বর টেনিস তারকা। একই সঙ্গে কেরিয়ারের ৩১তম গ্র্যান্ড স্ল্যাম ফাইনালে পৌঁছে কিংবদন্তি রজার ফে়ডেরারের রেকর্ডও স্পর্শ করলেন জোকার। টুর্নামেন্টের অন্য সেমিফাইনালে কানাডার ফেলিক্স আগুয়ারকে হারিয়ে ফাইনালে পৌঁছেছেন ড্যানিল মেদভেদেভ।শুধু ক্যালেন্ডার স্ল্যাম জেতার দিকেই এগিয়ে যাননি নোভাক জকোভিচ। জীবনের ৩১তম গ্র্যান্ড স্ল্যাম ফাইনালে পৌঁছে কিংবদন্তী রজার ফেডেরারকে স্পর্শ করেছেন জকোভিচ। ফাইনালে ওঠার রাস্তা সহজ ছিল না তাঁর সামনে। জকোভিচকে কড়া প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখে ফেলে দেন জেরেভ। প্রথম সেট ৪৬ ব্যবধানে হেরে যান জকোভিচ। দ্বিতীয় সেটে দুরন্ত প্রত্যাবর্তন। ৬২ ব্যবধানে জিতে নেন। তৃতীয় সেট জেতেন ৬৪ ব্যবধানে। চতুর্থ সেট ৬৪ ব্যবধানে জিতে ম্যাচ জমিয়ে দেন জেরেভ। কিন্তু পঞ্চম সেটে জেরেভকে কোনও সুযোগই দেননি জকোভিচ। জিতে নেন ৬২ ব্যবধানে। একই সঙ্গে আলেকজান্ডার জেরেভের বিরুদ্ধে অলিম্পিক হারের বদলাও নিলেন নোভাক জকোভিচ। নবম বারের জন্য ইউএস ওপেন ফাইনালে পৌঁছে তিনি নতুন রেকর্ডের মালিকও হলেন।ফাইনালে পৌঁছে ক্যালেন্ডার স্ল্যামের স্বপ্ন। তিনি বলেন, আর মাত্র একটা ম্যাচ বাকি। নিজেকে নিংড়ে দিতে চাই। ওটাই আমার জীবনের শেষ ম্যাচ ভেবে খেলব। সেমিফাইনালে নিজের খেলায় আমি গর্বিত। দ্বিতীয় সেমিফাইনালে কানাডার ফেলিক্স আগুয়ার-আলিয়াসিমের বিরুদ্ধে খেলতে নেমেছিলেন ড্যানিল মেদভেদেভ। সহজেই ম্যাচের ফয়সলা নির্ধারিত হয়। বিশ্বের দুই নম্বর তথা রাশিয়ার টেনিস তারকা প্রথম সেট ৬-৪ ফলাফলে জেতেন। দ্বিতীয় সেটও ৫-৭ ফলাফলে হেরে যান কানাডার তারকা। ম্যাচের তৃতীয় সেট ৬-২ ফলাফলে জিতে ফাইনালে পৌঁছে যান ড্যানিল মেডভেদেভ।

সেপ্টেম্বর ১১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

US Open : ক্যালেন্ডার স্ল্যাম জয়ের দিকে আরও একধাপ এগোলেন জকোভিচ

মাস দুয়েক আগে উইম্বলডনের ফাইনালে নোভাক জকোভিচের কাছে হেরে গিয়েছিলেন মাত্তেও বেরেত্তিনি। ইউএস ওপেনে প্রতিশোধ নেওয়ার সুযোগ ছিল ইতালির এই টেনিস তারকার কাছে। সুযোগ কাজে লাগাতে পারলেন না বেরেত্তিনি। প্রথম সেট হেরেও দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন ঘটিয়ে ইউএস ওপেনের সেমিফাইনালে পৌঁছে গেলেন নোভাক জরোভিচ। জিতলেন ৫৭, ৬২, ৬২, ৬৩ ব্যবধানে। একই মরসুমে টানা ২৬টি ম্যাচ জয়ের রেকর্ডও গড়লেন বিশ্বের এই এক নম্বর টেনিস তারকা। ক্যালেন্ডার গ্র্যান্ড স্ল্যামের দিকে আরও একধাপ এগিয়ে গেলেন নোভাক জকোভিচ। সেমিফাইনালে জকোভিচ খেলবেন অলিম্পিকে সোনাজয়ী আলেকজান্ডার জেরেভের বিরুদ্ধেপ্রিকোয়ার্টার ফাইনালের মতো কোয়ার্টার ফাইনালের শুরুটাও ভাল হয়নি নোভাক জকোভিচের। প্রথম সেটে একবার জকোভিচের সার্ভিস ভেঙে ৬৫ ব্যবধানে এগিয়ে যান মাত্তেও বেরেত্তিনি। শেষপর্যন্ত ৭৫ ব্যবধানে প্রথম সেট জিতে নেন। দ্বিতীয় সেটে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ান। তিনবার বেরেত্তিনির সার্ভিস ভেঙে ৬২ ব্যবধানে দ্বিতীয় সেট জিতে নেন। তৃতীয় সেটেও বিশ্বের ৬ নম্বর খেলোয়াড়কে দাঁড়াতে দেননি জকোভিচ। ৬২ ব্যবধানে জিতে নেন। তৃতীয় সেটেও ধারাবাহিকতা ধরে রাখেন বিশ্বের ১ নম্বর এই সার্বিয়ান টেনিস তারকা। ৬৩ ব্যবধানে জিতে সেমিফাইনালে পৌঁছে যান জকোভিচ। প্রিকোয়ার্টার ফাইনালে জকোভিচ হারিয়েছিলেন আমেরিকার জেনসন ব্রুকসবিকে। তিনিই ছিলেন আমেরিকার শেষ আশা। ১৮৮০ সালের পর এবছর প্রথম কোনও বড় টুর্নামেন্টে স্থানীয় খেলোয়াড় কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছতে পারেননি। প্রথম সেটে জেনসনের কাছে হেরে গিয়েও মহারাজকীয় প্রত্যাবর্তন ঘটিয়ে প্রমাণ করে দিয়েছিলেন কেন তিনি বিশ্বের এক নম্বর টেনিস তারকা। দ্বিতীয় সেটে প্রতিপক্ষকে দাঁড়াতে দেননি নোভাক। ৬৩ ফলাফলে জিতেছিলেন সার্বিয়ার টেনিস তারকা। ম্যাচের শেষ দুই সেটেও বিশ্বের এক নম্বর টেনিস তারকার বিরুদ্ধে দাঁড়াতে পারেননি জেনসন। তৃতীয় সেট ৬২ ফলাফলে জেতেন জোকার। একই ফলাফলে চতুর্থ সেটও জেতেন জকোভিচ। সেই সঙ্গে একই মরসুমে টানা ২৫টি ম্যাচ জয়ের অনন্য নজির গড়েছিলেন বিশ্বের এক নম্বর টেনিস তারকা। চলতি বছরের শুরুতে অস্ট্রেলীয় ওপেন খেতাব জিতেছিলেন নোভাক জকোভিচ। পরপর ফরাসি ওপেন ও উইম্বলডনও চ্যাম্পিয়ন হন জোকার। ইউএস ওপেন জিততে পারলে এক ক্যালেন্ডার বছরে চারটি গ্র্যান্ড স্ল্যাম জয়ের অনবদ্য নজির গড়বেন বিশ্বের এক নম্বর টেনিস তারকা। এর আগে যে রেকর্ড রয়েছে কিংবদন্তি রড লেভার ও স্টেফি গ্রাফের ঝুলিতে। সেই তালিকায় জকোভিচ নিজের নাম তুলতে পারেন কিনা, সেটাই দেখার। অন্যদিকে, মহিলাদের সিঙ্গলসের চমক দিয়েই চলেছেন এমা রাদুকানু। সেমিফাইনালে পৌঁছে গেছেন ১৮ বছর বয়সী এই ব্রিটিশ টেনিস তারকা। অলিম্পিকে সোনাজয়ী সুইৎজারল্যান্ডের বেলিন্দা বেন্সিচকে হারিয়েছেন ৬৩, ৬৪ ব্যবধানে। যোগ্যতা অর্জন পর্ব থেকে উঠে এসে তিনি সেমিফাইনালে পৌঁছে গেছেন। সেমিফাইনাল পর্যন্ত একটি সেটও না হারিয়ে নজির গড়েছেন রাদুকানু। এর আগে বিশ্ব র্যাঙ্কিংয়ে প্রথম ১০০র বাইরে থেকে ইউএস ওপেনের সেমিফাইনালে ওঠার কৃতিত্ব ছিল বিলি জিন কিং ও কিম ক্লিস্টার্সের। তাঁদের নজিরও স্পর্শ করেছেন রাদুকানু।

সেপ্টেম্বর ০৯, ২০২১
বিদেশ

Drone Attack: আফগানিস্তানে মার্কিন ড্রোন হামলা খতম কাবুল হামলার মূলচক্রী?

কাবুল বিমানবন্দরে হামলার সমালোচনা করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বৃহস্পতিবার রাতেই বলেছিলেন, কিছু ভোলা হবে না, কাউকে মাফও করা হবে না। জড়িতদের খুঁজে বের করে উচিত শাস্তি দেওয়া হবে। একদিনের মধ্যেই বদলা নিল আমেরিকা। শুক্রবারই ইসলামিক স্টেট-খোরাসান-র উপর হামলা চালায় মার্কিন ড্রোন।মার্কিন সেন্ট্রাল কম্যান্ডের ক্যাপ্টেন বিল আরবান বলেন, আফগানিস্তানের নানগরহর প্রদেশে ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। মানবহীন এই অভিযানের প্রাথমিক ইঙ্গিতে মনে হচ্ছে মূল চক্রীর মৃত্যু হয়েছে। তবে সাধারণ মানুষের কোনও ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। তালিবানরা আফগানিস্তান দখলের পর এই প্রথম মার্কিন বাহিনী হামলা চালাল।আরও পড়ুনঃ চেতেশ্বর পুজারার ব্যাটে সমালোচকদের জবাবতালিবানরা আগামী ৩১ অগস্টের মধ্যে উদ্ধারকার্য শেষ করার হুঁশিয়ারি দিয়েছে। না হলে ফল ভাল হবে না বলেও জানিয়েছে। বৃহস্পতিবারের হামলার পরই উদ্ধারকার্যে ইতি টেনেছে ফ্রান্স, জার্মানির মতো দেশ। ব্রিটেনও জানিয়েছে, খুব অল্প সংখ্যক নাগরিকই আটকে রয়েছেন। একদিনের মধ্যেই উদ্ধারকার্য শেষ করে নেওয়া হবে। এদিকে,আমেরিকার তরফে জানানো হয়েছে বর্তমানে প্রায় এক হাজার মতো মার্কিনবাসী আফগানিস্তানে আটকে রয়েছেন। ৩১ অগস্টের আগেই তাদের উদ্ধার করে আনার সম্পূর্ণ চেষ্টা করা হবে। আগে সময় বাড়ানের কথা বলা হলেও বৃহস্পতিবার বাইডেনও ৩১ অগস্টের মধ্যে যে কোনও প্রকারে উদ্ধারকার্য শেষ করার নির্দেশ দেন। মার্কিন গোয়েন্দদাদের আশঙ্কা, ফের হামলা হতে পারে বিমানবন্দরে। শুক্রবারই পেন্টাগনের মুখপাত্র জন কিরবি জানান, তাদের বিশ্বাস উদ্ধারকার্য়ে বাধা দিতে ফের হামলা হতে পারে।

আগস্ট ২৮, ২০২১
বিদেশ

Corona Virus: কীভাবে ছড়িয়েছিল করোনা ভাইরাস? চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট প্রকাশ্যে

মানুষের শরীরে করোনাকে বাসা বাঁধানোর চেষ্টাই চালানো হচ্ছিল উহানে ল্যাবে! সেই সময়ই কোনও ফাঁকে ভাইরাস বেরিয়ে অতি মহামারির রূপ নিয়েছে। চিনের এক গবেষণাগারে প্রতিনিয়ত বিশ্বের বিভিন্ন নাম না জানা ভাইরাস নিয়ে গবেষণা চলছে। সেখান থেকেই কি কোনও ফাঁকে বেরিয়ে এসেছিল করোনা ভাইরাস? আর তাতেই বিশ্ব জুড়ে মৃ্ত্যু হয়েছে ৪৪ লক্ষ মানুষের? এমন প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে অতিমারি শুরু হওয়ার পর থেকেই। আমেরিকা বারবার উহানের সেই ল্যাবের তত্ত্ব সামনে আনলেও, চিন বরাবরই তা উড়িয়ে দিয়েছে। মার্কিন গবেষকরা এই বিষয়ে এখনও কোনও চূড়ান্ত রিপোর্ট দেননি। তবে এ বার উহান ল্যাব সংক্রান্ত একটি রিপোর্ট প্রকাশ্যে আনল মার্কিন রিপাবলিকান দল। তাঁদের গবেষকদের দাবি, উহানের ল্যাব থেকেই ছড়িয়েছে করোনা।আরও পড়ুনঃ উদ্বেগ বাড়িয়ে ডেল্টার প্রভাবে ফের বাড়ছে সংক্রমণসোমবার প্রকাশিত হওয়া রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, আমেরিকা ও চিনের সরকারের যৌথ সহযোগিতায় চলা ওই উহান ল্যাবে করোনা নিয়ে গবেষণা চলছিল, পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছিল যে কী ভাবে করোনা ভাইরাসকে মানুষের শরীরে সংক্রমিত করানো সম্ভব। এমন প্রমাণ রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে রিপাবলিকানদের এই রিপোর্টে। রিপাবলিকানের প্রতিনিধি মাইক ম্যাককাউন জানিয়েছেন, সোমবার একটি বিশেষ প্যানেলের তৈরি করা এই রিপোর্ট প্রকাশ্যে আনেন। নতুন করে এই ইস্যু নিয়ে তদন্তের দাবিও জানিয়েছেন তাঁরা।রিপাবলিকানদের এই রিপোর্টে বলা হয়েছে, উহানের মাছের বাজার থেকে ভাইরাস ছড়িয়েছ, এমন তত্ত্ব খারিজ করে দেওয়ার সময় এসেছে বলে আমরা বিশ্বাস করি। উহান ইনস্টিটিউট অফ ভাইরোলজি থেকেই করোনা ভাইরাস ছড়িয়েছে বলেই আমাদের বিশ্বাস।

আগস্ট ০৩, ২০২১
বিদেশ

Baiden-Kadhimi: ইরাক থেকে সরবে মার্কিন সেনা

মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ঘোষণা করেছেন, আমেরিকান যুদ্ধ বাহিনী (Combat Forces) চলতি বছরের শেষের দিকে ইরাক থেকে ফিরে আসবে। কিন্তু আমেরিকান বাহিনী ইরাকি সেনাবাহিনীকে প্রশিক্ষণ ও পরামর্শ প্রদান অব্যাহত রাখবে। সোমবার হোয়াইট হাউসে বাইডেন ইরাকি প্রধানমন্ত্রী মোস্তফা আল-কাদিমির সঙ্গে বৈঠক করার পরে মার্কিন সামরিক বাহিনীর লড়াইয়ের মিশন শেষ করার কথা ঘোষণা করা হয়।আরও পড়ুনঃ দিল্লি রওনার আগে বড় ঘোষণা মমতারইরাকি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বসে মার্কিন রাষ্ট্রপতি বলেছেন, আমরা ইরাকের গণতন্ত্রের শক্তিশালীকরণকে সমর্থন করি এবং আগামী অক্টোবরের নির্বাচন নিশ্চিত করতে আমরা উদগ্রীব। তিনি আরও বলেন, আমরা আমাদের সুরক্ষা সহযোগিতা, আইএসআইএসের বিরুদ্ধে আমাদের যৌথ লড়াইয়ে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বিডেন ইরাকি প্রধানমন্ত্রীকে জানিয়ে দিয়েছেন, তাঁরা এই নতুন পর্বে সরে আসার পরেও তাঁদের সন্ত্রাসবাদ বিরোধী সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে। ইরাকি প্রধানমন্ত্রী কাদিমী জবাবে বলেন, আজ আমাদের সম্পর্ক আগের চেয়ে আরও দৃঢ়। ইরাকের অস্থিরতা থামাতে কোনও বিদেশি যুদ্ধ সেনার আর প্রয়োজন নেই।আরও পড়ুনঃ শিক্ষকদের মমতার উপহার উৎসশ্রী আসলে কী? জানুনইরাকে বর্তমানে ২,৫০০ মার্কিন সেনা রয়েছে। মার্কিন নেতৃত্বাধীন বাহিনী ২০০৩ সালে রাষ্ট্রপতি সাদ্দাম হুসেনকে ক্ষমতাচ্যুত করতে এবং তাঁর বিধ্বংসী অস্ত্রের ব্যবহার ও ব্যাপক ধ্বংসলীলা নির্মূল করতে ইরাক আক্রমণ করেছিল। যার বাস্তবতা সেভাবে খুঁজে পাওয়া যায়নি। মার্কিন যুদ্ধজাহাজ ও সেনারা শেষ পর্যন্ত ২০১১ সালে ইরাক থেকে সরে আসে। তবে তিন বছর পরে ইরাকি সরকারের অনুরোধে তারা আবার ফিরে এসেছিল। যখন আবার আইএসআইএস গ্রুপ ইরাকের বেশিরভাগ অঞ্চলে তাদের কার্যকলাপ শুরু করেছিল।আরও পড়ুনঃ নোরার হট ছবি, ইনস্টাগ্রামে ভাইরালমার্কিন-ইরাকি যৌথ বিবৃতিতে স্বাস্থ্য, জ্বালানি এবং অন্যান্য বিষয় সম্পর্কিত অনেকগুলি অসামরিক ও সামরিক চুক্তির বিশদ প্রত্যাশা করা হচ্ছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, তাঁরা ইরাককে বিশ্বব্যাপী কোভিড ভ্যাকসিন আদান-প্রদান নীতিকে মর্যাদা দিতে ফাইজার / বাইওএন্টেক তৈরি কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন কোভাক্স-এর ৫০০,০০০০ ডোজ সরবরাহ করার পরিকল্পনা করেছে। বাইডেন জানিয়েছেন যে ডোজগুলি কয়েক সপ্তাহের মধ্যে ইরাকে পৌঁছে যাবে।আরও পড়ুনঃ শেষ হল ওগো নিরুপমার শুটিংইরাকের আগামী অক্টোবরের নির্বাচন পরিচালনার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইরাককে সাহায্য করতে ৫.২ মিলিয়ন ডলার অর্থ সাহায্য করবে। বাইডেন বলেন, অক্টোবরে একটি সুষ্ঠ নির্বাচন দেখার অপেক্ষায় আছি।

জুলাই ২৭, ২০২১
দেশ

Jammu Airport Blast: চিনা ড্রোনের মাধ্যমে জম্মু বিমানবন্দরে জোড়া বিস্ফোরণ

বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল জম্মু বিমানবন্দর (Jammu Airport) চত্বর। শনিবার রাত দুটো নাগাদ বিমানবন্দরে বায়ুসেনা নিয়ন্ত্রিত টেকনিক্যাল এরিয়ায় (Air Force Station) জোড়া বিস্ফোরণ হয়। সূত্রের খবর, এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত একজন জিহাদিকে গ্রেপ্তার করেছে জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ। চলছে জিজ্ঞাসাবাদ। তার কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ আইইডি উদ্ধার হয়েছে। বিমানবন্দরে কোনও জঙ্গি সংগঠনের বড়সড় নাশকতার ছক ছিল কি না তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ইতিমধ্যে কাশ্মীরের এক শপিং মল থেকে দুই সন্দেহভাজনকে আটক করা হয়েছে বলে অসমর্থিত সূত্রের খবর। তাদের মধ্যে একজন লস্কর-ই-তইবার সদস্য বলে খবর। তাদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক উদ্ধার হয়েছে।জম্মু বিমানবন্দরে বায়ুসেনার ঘাঁটিতে জোড়া বিস্ফোরণের জন্য চিনা ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছিল বলেই উঠে এসেছে তদন্তে। এনআইএ (ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি) সূত্রে খবর, প্রাথমিক তদন্তে মনে হচ্ছে চিনে তৈরি ড্রোন পাকিস্তান হয়ে ভারতে ঢুকে এই হামলা চালিয়েছে। ঘটনাস্থল খতিয়ে দেখছেন এনআইএ আধিকারিকরা। এই বিষয়ে এখনও তদন্ত চলছে। কী ভাবে এই ঘটনা ঘটল সেটাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।আরও পড়ুনঃ তৃণমূল কাউন্সিলরের ছেলের ফ্ল্যাট থেকে বোমা উদ্ধারশনিবার রাতে পাঁচ মিনিটের ব্যবধানে দুটি বিস্ফোরণের ঘটনায় তেমন বড় কোনও ক্ষতি না হলেও দেশের কোনও সামরিক ঘাঁটিতে এই প্রথম এই ধরনের হামলা হল। এই ঘটনার পিছনে বড় ধরনের ষড়যন্ত্রের ইঙ্গিত পাচ্ছেন তদন্তকারীরা। তাঁদের দাবি, স্টেশনে মোতায়েন বায়ুসেনার যুদ্ধবিমান এবং হেলিকপ্টারগুলিকেই নিশানা করা হয়েছিল। কোনও ভাবে ড্রোন লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়েছে। কেন্দ্রীয় বোমা বিশেষজ্ঞ, ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞদের দল ঘটনাস্থলে গিয়ে ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করে দিয়েছে। দুই সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করেছে জম্মু-কাশ্মীর পুলিশও। বেআইনি কার্যকলাপ প্রতিরোধ আইনে এফআইআরও দায়ের করা হয়েছে।জম্মু বিমানবন্দরে বায়ুসেনার ঘাঁটিতে জোড়া বিস্ফোরণের জন্য চিনা ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছিল বলেই উঠে এসেছে তদন্তে। এনআইএ (ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি) সূত্রে খবর, প্রাথমিক তদন্তে মনে হচ্ছে চিনে তৈরি ড্রোন পাকিস্তান হয়ে ভারতে ঢুকে এই হামলা চালিয়েছে। ঘটনাস্থল খতিয়ে দেখছেন এনআইএ আধিকারিকরা। এই বিষয়ে এখনও তদন্ত চলছে। কী ভাবে এই ঘটনা ঘটল সেটাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।শনিবার রাতে পাঁচ মিনিটের ব্যবধানে দুটি বিস্ফোরণের ঘটনায় তেমন বড় কোনও ক্ষতি না হলেও দেশের কোনও সামরিক ঘাঁটিতে এই প্রথম এই ধরনের হামলা হল। এই ঘটনার পিছনে বড় ধরনের ষড়যন্ত্রের ইঙ্গিত পাচ্ছেন তদন্তকারীরা। তাঁদের দাবি, স্টেশনে মোতায়েন বায়ুসেনার যুদ্ধবিমান এবং হেলিকপ্টারগুলিকেই নিশানা করা হয়েছিল। কোনও ভাবে ড্রোন লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়েছে। কেন্দ্রীয় বোমা বিশেষজ্ঞ, ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞদের দল ঘটনাস্থলে গিয়ে ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করে দিয়েছে। দুই সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করেছে জম্মু-কাশ্মীর পুলিশও। বেআইনি কার্যকলাপ প্রতিরোধ আইনে এফআইআরও দায়ের করা হয়েছে। এদিকে কাশ্মীরকে রাজ্যের মর্যাদা ফেরানো নিয়ে রাজনৈতিক আলোচনা শুরু হয়েছে। ঠিক সেই সময় বায়ুসেনা নিয়ন্ত্রিত বিমানবন্দরে এই বিস্ফোরণ প্রশাসনের কপালে চিন্তার ভাঁজ গভীর করেছে। আরও পড়ুনঃ টিকাকরণে গতি আনতে স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার সাহায্য চাইলেন মোদিরাত দুটোয় রোজকার মতোই কাজকর্ম চলছিল জম্মু বিমানবন্দর এলাকায়। এই এয়ারপোর্টেই রয়েছে ভারতীয় বায়ুসেনার এয়ার ফোর্স স্টেশন-সতওয়ারি। বায়ুসেনা নিয়ন্ত্রিত সেই অংশের একটি বিল্ডিংয়ে বিস্ফোরণ হয়। সূত্রের খবর, বাড়িটির ছাদ ভেঙে পড়ে। বিকট আওয়াজ শুনেই ঘটনাস্থলে ছুটে যায় বিমানবন্দরের কর্মীরা। ঘটনার আকস্মিকতা কাটিয়ে ওঠার আগেই আরও একটি বিস্ফোরণ ঘটে। তবে এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কোনও হতাহতের খবর মেলেনি। সূত্রের খবর, বিস্ফোরণে দুজন জখম হয়েছেন। যদিও সে কথা স্বীকার করেনি বায়ুসেনা বা বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ।বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, জম্মু বিমানবন্দরের বায়ুসেনা নিয়ন্ত্রিত অংশে বিস্ফোরণ ঘটেছে। তবে তাতে কোনও ক্ষয়ক্ষতির খবর নেই। তদন্ত চলছে। এদিকে এই ঘটনার পরই নরওয়াল এলাকা থেকে এক জঙ্গিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তার কাছ থেকে ৫ কেজি আইডি উদ্ধার হয়েছে। মনে করা হচ্ছে, ভূস্বর্গে ফের বড়সড় কোনও নাশকতার পরিকল্পনা করা হচ্ছিল। ইতিমধ্যে কাশ্মীরের এক শপিং মল থেকে দুই সন্দেহভাজনকে আটক করা হয়েছে বলে অসমর্থিত সূত্রের খবর। তাদের মধ্যে একজন লস্কর-ই-তইবার সদস্য বলে খবর। তাদের কাছ থেকে বিপুল পরিমান বিস্ফোরক উদ্ধার হয়েছে। এদিকে কাশ্মীরকে রাজ্যের মর্যাদা ফেরানো নিয়ে রাজনৈতিক আলোচনা শুরু হয়েছে। ঠিক সেই সময় বায়ুসেনা নিয়ন্ত্রিত বিমানবন্দরে এই বিস্ফোরণ প্রশাসনের কপালে চিন্তার ভাঁজ গভীর করেছে। বায়ুসেনা নিয়ন্ত্রিত বিমানবন্দরে এই বিস্ফোরণ কি নাশকতামূলক আচরণ নাকি অন্য কিছু, খতিয়ে দেখতে শুরু হয়েছে তদন্ত।

জুন ২৭, ২০২১
বিদেশ

Mud Racing: টেক্সাসে কাদা রেসিং ইভেন্টে দুর্ঘটনায় মৃত ১, গুরুতর আহত ৮

রবিবার রাতে টেক্সাসের একটি কাদা রেসিং (Mud Racing) ইভেন্টে একটি গাড়ি ভিড়ের মধ্যে ঢুকে যাওয়ায় আটজন আহত হয়। এল পাসো কাউন্টি শেরিফ দপ্তর এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, বিকাল ৬টা ৩৫ মিনিট নাগাদ প্রতিযোগিতা চলাকালীন একটি গাড়ি মাটির ট্র্যাক ছেড়ে গার্ড রেল ভেঙ্গে দর্শকদের মধ্যে ঢুকে গিয়ে আঘাত করে। তিনজন দর্শককে গুরুতর জখম অবস্থায় হাসপাতালে এবং পাঁচজনকে স্থানীয় স্বাস্থকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। তাদের মধ্যে একজন মারা যান। আহতদের কাউকেই পুলিশ সনাক্ত করতে পারেনি।এল পাসো অঞ্চলের নিরাপত্তা সংস্থা রক সলিড প্রোটেকশন-র কর্নধার স্কট স্মিথ এক সাংবাদিক সন্মেলনে বলেছেন, আজ রেসের সময় যা ঘটল তা আমরা একেবারেই প্রত্যাশা করিনি। সাধারণত কাদামাটিযুক্ত রাস্তাতেই গাড়িগুলির চলে। প্রত্যক্ষদর্শী এক দর্শক কার্ল হুয়ের্তা এই ভয়ঙ্কর দৃশ্য দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। হুয়ের্তা জানান, রেসটা ঠিকঠাক ভাবেই শুরু হয়েছিল এবং কিছুক্ষণের মধ্যেই একটি ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সামনে থাকা গাড়ি এবং দর্শকের মধ্যে গিয়ে পড়ে। তিনি আরও বলেন যে, পর্যাপ্ত সংখ্যায় অ্যাম্বুলেন্স থাকার জন্য খুব তাড়াতাড়ি আহতদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল বলে বড় দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা করা গিয়েছে। ঘটনার আকস্মিকতায় বোঝা যায়নি যে ঘাতক গাড়িটি আরও তিনটি গাড়ীকে ধাক্কা মেরে দর্শকদের আঘাত করবে। কাদাযুক্ত রেসের ট্র্যাকটি এল পাসো থেকে প্রায় 40 মাইল দক্ষিণ-পূর্বে এবং মেক্সিকান সীমান্ত থেকে এক মাইলেরও কম টেক্সাসের ফ্যাবেন্সে। স্থানীয় পুলিশ জানিয়েছে, তদন্ত চলছে, আসল ঘটনা সামনে এলে জানানো হবে।

জুন ১৫, ২০২১
টুকিটাকি

চুল ঝরছে? ত্বকে সমস্যা? বাড়িতে কর্পূর থাকলে একাধিক সমস্যার সমাধান

আমাদের দেশে প্রাচীন কাল থেকেই পুজো-পাঠে আর খাবারের সুগন্ধ বাড়াতে কর্পূরের ব্যবহার করা হয়। চোখ বন্ধ করেও শুধু মাত্র গন্ধেই কর্পূর চেনা যায়। তবে শুধু পুজো-পাঠ বা খাবারের সুগন্ধ বাড়াতেই নয়, বিভিন্ন রোগ নিরাময়ের ক্ষেত্রেও প্রাচীন আয়ুর্বেদিক চিকিৎসায় যুগ যুগ ধরে কর্পূর ব্যবহার করা হয়। আজ জেনে নেওয়া যাক কর্পূরের কয়েকটি অজানা, আশ্চর্য ব্যবহার...১. কর্পূরের ট্যাবলেট ঘরের কোনায় কোনায় ছড়িয়ে দিন। কর্পূরের গন্ধে মশা ঘর ছেড়ে পালাবে।২. ঘরের দুর্গন্ধ কাটাতে কর্পূরের ট্যাবলেট ঘরের কোনায় কোনায় ছড়িয়ে দিন। দেখবেন এটি রুম ফ্রেশনারের কাজ করবে।৩. সর্দিতে নাক বন্ধ হয়ে গেলে বা বুকে কফ জমে গেলে কর্পূরের সাহায্য নিতে পারেন। কর্পূরের গন্ধে বন্ধ নাক ছেড়ে যাবে। সরষের তেল বা নারিকেল তেলের সঙ্গে আন্দাজ মতো কর্পূর মিশিয়ে সামান্য গরম করে নিন। উষ্ণ অবস্থাতেই এই তেলের মিশ্রণটি বুকে, পিঠে ভাল করে মালিশ করতে পারলে দ্রুত আরাম পাওয়া যাবে।৪. অতিরিক্ত চুল ঝরা রোধ করতে আর খুশকির সমস্যা দূর করতে কর্পূর একেবারে অব্যর্থ একটি উপাদান। নিয়মিত মাথায় মাখার তেলের সঙ্গে কর্পূরের গুঁড়ো মিশিয়ে চুলে ব্যবহার করতে পারলে চুল ঝরার পরিমাণ অনেকটাই কমে যাবে। চুলে শ্যাম্পু করার আগে এই তেলের মিশ্রণ মাথার তালুতে আর চুলের গোড়ায় মাখতে পারলে খুশকির সমস্যাও দ্রুত কমবে।৫. ব্রণ ও ব্রণর দাগ নিরাময়ের ক্ষেত্রে কর্পূর অত্যন্ত কার্যকরী! কয়েক ফোঁটা কর্পূর এসেনশিয়াল অয়েল বা কর্পূরের গুঁড়ো এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ অয়েল, নারকেল তেল বা আমন্ড তেলের সঙ্গে মিশিয়ে কয়েক দিন কেখে দিন। এ বার ওই তেল ব্রণ আক্রান্ত ত্বকে ভাল করে মালিশ করতে পারলে ব্রণর সমস্যা দ্রুত কমবে, সেই সঙ্গে ব্রণর দাগও ফিকে হয়ে যাবে।৬. ত্বকের চুলকানি বা র্যাশের সমস্যায় কর্পূর অত্যন্ত কার্যকরী। এক টুকরো ভোজ্য কর্পূর সামান্য জলের সঙ্গে মিশিয়ে ত্বকের আক্রান্ত স্থানে লাগিয়ে, কিছু ক্ষণ পর ধুয়ে ফেলুন। ত্বকের চুলকানি বা র্যাশের সমস্যা দ্রুত কমে যাবে। তবে খেয়াল রাখবেন, কখনওই কাটা বা ক্ষত স্থানে কর্পূর ব্যবহার করবেন না। কারণ কর্পূর রক্তের সঙ্গে মিশে গেলে শরীরে বিষক্রিয়া হতে পারে।৭. ছারপোকা তাড়াতে কর্পূর অত্যন্ত কার্যকরী একটি উপাদান। ছারপোকার সমস্যা থেকে মুক্ত পেতে প্রথমে বিছানার চাদর ধুয়ে, তোষক, ম্যাট্রেস সব দীর্ঘ ক্ষণ রোদে দিন। এর পর একটি বড় কর্পূরের টুকরো কাপড়ে মুড়ে বিছানা ও ম্যাট্রেসের মাঝে রেখে দিন। কর্পূরের গন্ধে ছারপোকারা বিছানার ধারেকাছেও ঘেঁষবে না।৮. বাড়িতে পিঁপড়ের উপদ্রব বেড়েছে? তাহলে এই সমস্যা থেকে দ্রুত রেহাই পেতে বাজার চলতি ক্ষতিকর কীটনাশকের পরিবর্তে জলের সঙ্গে কর্পূর মিশিয়ে ঘরের কোনায় কোনায় ছড়িয়ে দিন। কর্পূরের ঘন্ধে পিঁপড়ে ঘর ছেড়ে পালাবে।

এপ্রিল ১৮, ২০২১
প্রযুক্তি

নাসার 'মঙ্গল' কামনায় অ্যালিসার আত্ম-বলিদান

যে বয়সে একরত্তি বাচ্ছা তার বাবা মায়ের কাছে খেলনা, চকোলেট বা পার্কে নিয়ে যাবার বায়না ধরে, সেই ছোট্ট বয়সে, যখন সে সবেমাত্র ৩ বছর তার বাবাকে বলেছিল, বাবা, আমি একজন নভোচারী হতে চাই এবং মঙ্গলগ্রহে যাওয়া লোকদের মধ্যে একজন হতে চাই। খুব স্বাভাবিক ভাবেই তার বাবার এই বিষয়ে কোনও সম্যক ধারনা ছিল না এবং তিনি ভাবতেই পারেননি যে তার ছোট্ট অ্যালিসা তাঁর এই স্বপ্ন সফল করবে।অ্যালিসা কারসন ১০ই মার্চ ২০০১ আমেরিকা লুসিয়ানিয়া প্রদেশে জন্মগ্রহণ করেন। অ্যালিসা রাউজ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে সপ্তম শ্রেণিতে পড়ার সময় তিনি তার সমস্ত বিষয়গুলি ৪ টি ভিন্ন ভাষায় অধ্যয়ন করেন। ৯ ই অক্টোবর, ২০১৩-তে তিনি নাসা পাসপোর্ট প্রোগ্রামে প্রথম স্থান অধিকার করেছিলেন। তখনই তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ১৪টি নাসা সেন্টার ঘুরে দেখার অনুমতি পান। মাত্র ১১বছর বয়সে নাসা তাঁর ইচ্ছাশক্তি, অদম্য মনোভাব, নিষ্ঠা দেখে তাঁকে মঙ্গল গ্রহে পাঠাবার সিদ্ধান্ত নেয়। এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর তিনি বিভিন্ন সময় বেশ কয়েকটি টিভি অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছেন, অসংখ্য পত্র-পত্রিকায় ও ম্যাগাজিনে তাঁকে নিয়ে লেখা হয়েছে। সমস্ত কিছু ঠিকঠাক থাকলে, ২০৩৩-এ অ্যালিসাই সেই মানুষ যে মঙ্গল গ্রহে প্রথম পদার্পণ করবেন। এবং ভয়ংকর সত্যি এটাই যে মঙ্গল গ্রহে গিয়ে তিনি আর পৃথিবীতে ফিরবেন না জেনেও তিনি নাসার সম্মতিপত্রে স্বাক্ষর করে দিয়েছেন। যেহুতু নীল গ্রহ থেকে ফেরার সম্ভাবনা প্রায় নেই তাই তাঁকে বিবাহ, যৌনতা, সন্তান ধারন থেকে বিরত থাকতে হবে। এখানেই প্রশ্ন, একজন মানুষের স্বপ্ন কত বড় হলে সেখানে সে তাঁর অস্ত্বিত্ত্বকেও অস্বীকার করতে পারে? অ্যালিসা জানে যে সে আর পৃথিবী-তে ফিরে আসতে পারবে না, আর মাত্র ১৪-১৫ বছর বাদে একেবারে নিঃসঙ্গ ভাবে কিছু যন্ত্রকে সঙ্গী করে কোটি কোটি যোজন দূরে হিমশীতল নীল তারার বুকে বিলীন হয়ে যাবে। এই হারিয়ে যাওয়াতেই তার স্বপ্নপূরণ! আদ্ভুত!! অ্যালিসা ব্যাটন যেন রবি ঠাকুরের কোথাও আমার হারিয়ে যাওয়ার নেই মানা গাইতেই গাইতেই সুরের রেশ টুকু রেখে হারিয়ে যেতে চায়।অ্যালিসা কারসন এক স্বপনের ব্যপারি, তাঁর বিখ্যাত উক্তি সর্বদা আপনার স্বপ্ন আপনি নিজে পূরণ করুন এবং কাউকে এটিকে আপনার কাছ থেকে কেড়ে নিতে দেবেন না।Always follow your dream and dont let anyone take it from you.জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়

ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২১
বিদেশ

আমেরিকায় নতুন ইতিহাস রচনার অঙ্গীকার বাইডেনের

ওয়াশিংটন, ২১ জানুয়ারি: অবশেষে হোয়াইট হাউস ছেড়ে পত্রপাঠ বিদায় নিলেন ট্রাম্প। বুধবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৪৬তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিলেন জো বাইডেন। আর শপথ নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই পুরোদমে কাজ শুরু করে দিয়েছেন তিনি। প্রথম দিনেই ১৫টা কার্যনির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেছেন তিনি। ভারতীয় সময় রাত ১০টা নাগাদ শপথ নেন ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিসও।শপথ নেওয়ার পরই বাইডেন বলেন, আমরা আমেরিকায় নতুন ইতিহাস রচনা করব। আমাদের অনেক ক্ষত মেরামতের প্রয়োজন রয়েছে। অনেক কিছু গড়তে হবে নতুন করে। বহু মানুষ কাজ হারিয়েছেন, অর্থনীতি ভেঙে পড়েছে, এটা গণতন্ত্রের দিন। গণতন্ত্রেরই জয় হয়েছে।শপথ নেওয়ার পরই প্রথম যে বিষয়গুলো নিয়ে নির্দেশ জারি করেছেন বাইডেন, সেগুলো হলঃ কোভিড মোকাবিলা, প্যারিস পরিবেশ চুক্তিতে পুনঃপ্রবেশ, একশো দিন মাস্ক পরার নির্দেশ, মুসলমানদের উপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার ইত্যাদি। অর্থাৎ, প্রথম দিনই পূর্বসূরি ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রধান নীতিগুলো একশো আশি ডিগ্রি ঘুরিয়ে দেন বাইডেন। বুধবার অভূতপূর্ব নিরাপত্তাবেষ্টনীর মধ্যে শপথ নেন বাইডেন। আফগানিস্তান এবং ইরাকে মিলিতভাবে যত সংখ্যক মার্কিন সেনা মোতায়েন রয়েছে, তার পাঁচগুণ বেশি নিরাপত্তারক্ষী হাজির ছিল বাইডেনের শপথগ্রহণে। দুদেশে ২,৫০০ করে মার্কিন সেনা মোতায়েন হয়। আর ওয়াশিংটনে ছিল ২৫ হাজার সেনা মোতায়েন।রথা মেনে বুধবার শপথগ্রহণের আগে ক্যাথিড্রাল অফ সেন্ট ম্যাথিউয়ে প্রার্থনা করেন সস্ত্রীক বাইডেন। কমলা হ্যারিস এবং তাঁর স্বামী ডগলাস এমহফও গির্জায় প্রার্থনা করেন। শপথে সস্ত্রীক হাজির ছিলেন প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ বুশ (জুনিয়র), বিল ক্লিনটন, বারাক ওবামা। তবে প্রত্যাশিতভাবেই অনুপস্থিত ছিলেন সদ্য প্রাক্তন হওয়া প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

জানুয়ারি ২১, ২০২১
টুকিটাকি

করোনাকালে মাস্ক কিভাবে ব্যবহার করে সুরক্ষিত থাকবেন, জেনে নিন !

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে মাস্ক ব্যবহারের কথা বলা হচ্ছে। নিজে সুস্থ থাকলে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন বা সন্দেহ করা হচ্ছেএমন ব্যক্তির শুশ্রূষা করার সময়ই শুধু আপনার মাস্ক পরার প্রয়োজন রয়েছে। হাঁচি বা কাশি থাকলে মাস্ক ব্যবহার করুন, যেন আপনার শরীরে করোনাভাইরাস থাকলে তা অন্যদের মধ্যে না ছড়ায়। মাস্ক ব্যবহার তখনই কার্যকর, যখন আপনি অ্যালকোহলভিত্তিক হ্যান্ড রাব বা সাবান-জল দিয়ে ঘন ঘন হাত পরিষ্কার করেন। মাস্ক পরার আগে হাত (সাবান-জল দিয়ে অন্তত ২০ সেকেন্ড বা হ্যান্ড রাব দিয়ে) পরিষ্কার করে নিন। আরও পড়ুন ঃ কানে ব্যথা হলে কি করণীয়, জেনে নিন ! মাস্ক পরার সময় এর সামনের অংশ ধরবেন না। নাক ও মুখ মাস্ক দিয়ে ঢেকে ফেলুন এবং মনে রাখবেন, মুখ ও মাস্কের মধ্যে যেন কোনো ফাঁকা স্থান না থাকে। ব্যবহৃত মাস্কটি আর্দ্র বা ভেজা বা স্যাঁতসেঁতে মনে হওয়ামাত্রই তা বদলে ফেলুন। ডিসপোজিবল বা একবার ব্যবহারের জন্য তৈরি মাস্ক বারবার ব্যবহার করবেন না। মাস্ক অপসারণের পর হাত পরিষ্কার করে নিন।

ডিসেম্বর ০৭, ২০২০
বিদেশ

অবশেষে পরাজয় স্বীকার করে নিলেন ট্রাম্প

নির্বাচনে পরাজিত হওয়ার পরেও কিছুতেই সেই ফলাফল মানতে চাইছিলেন না বর্তমান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর দাবি ছিল, তিনিই জয়ী হয়েছেন। ভোটে কারচুপির অভিযোগও ্তুলেছিলেন তিনি। জো বাইডেনের কাছে একপ্রকার হার স্বীকার করেই নিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। জানিয়ে দিলেন, বিডেনের নতুন দলকে ক্ষমতা হস্তান্তর করার প্রক্রিয়া শুরু হলে তাঁর কোনও আপত্তি নেই। টুইট করে ডোনাল্ড ট্রাম্প লিখেছেন, লড়াই করুন, আমার বিশ্বাস আমরা জয়ী হবই। আমাদের দেশের স্বার্থে, আমি এমিলি ও তাঁর টিমকে বলছি, প্রোটোকল অনুযায়ী যা করার প্রয়োজন, তা করা হোক। এটা আমার টিমকেও বলেছি। আরও পড়ুন ঃ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি জো বাইডেনকে মানতে রাজি নন পুতিন উল্লেখ্য, নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে চিঠি লিখে জেনারেল সার্ভিসেস অ্যাডমিনিস্ট্রেটর এমিলি মার্ফি জানান যে, ক্ষমতা হস্তান্তর প্রক্রিয়া করতে রাজি ট্রাম্প প্রশাসন। এমিলির এই চিঠির পরই টুইট করেন ট্রাম্প। চিঠিতে এমিলি লিখেছেন, তিনি স্বাধীন ভাবেই আইন মোতাবেক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। কারও চাপের মুখে যে তিনি পড়েননি, সেকথাও উল্লেখ করেছেন এমিলি।

নভেম্বর ২৪, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

১৯৭১-এর যুদ্ধনায়ককে কেন ডাকা হল এসআইআর শুনানিতে? মুখ খুলল নির্বাচন কমিশন

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানের বুকে কাঁপন ধরানো প্রাক্তন নৌসেনাপ্রধান অ্যাডমিরাল অরুণ প্রকাশকে ভোটার তালিকার নিবিড় পরিমার্জন বা এসআইআর শুনানিতে তলব করা ঘিরে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রাক্তন নৌসেনাপ্রধানকে কেন পরিচয় প্রমাণের জন্য নোটিস পাঠানো হল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই সোমবার মুখ খুলল জাতীয় নির্বাচন কমিশন।এসআইআর শুনানির নোটিস পাওয়ার পর নিজের এক্স হ্যান্ডেলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন অ্যাডমিরাল প্রকাশ। তাঁর পোস্ট সামনে আসার পরই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। এই পরিস্থিতিতে নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, অ্যাডমিরাল প্রকাশের জমা দেওয়া এনুমারেশন ফর্মে পূর্ববর্তী এসআইআর সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় তথ্য ছিল না। সেই কারণেই তাঁকে শুনানিতে ডাকা হয়েছে।এলাকার ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার মেডোরা এরমোমিল্লা ডিকোস্টা জানান, এনুমারেশন ফর্মে ভোটারের নাম, এপিক নম্বর, আত্মীয়ের নাম, বিধানসভা কেন্দ্রের নাম ও নম্বর, অংশ নম্বর এবং ভোটার তালিকার ক্রমিক নম্বরের মতো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উল্লেখ ছিল না। ফলে বিএলও অ্যাপের মাধ্যমে নতুন ফর্মের সঙ্গে পুরনো ভোটার তালিকার স্বয়ংক্রিয় মিল করা সম্ভব হয়নি। শনাক্তকরণের প্রয়োজনীয় তথ্য না থাকলেই এই ধরনের ক্ষেত্রে শুনানির জন্য ডাকা হয় বলে জানান তিনি।১৯৭১ সালের যুদ্ধে বায়ুসেনার পাঞ্জাব স্কোয়াড্রনের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বিমান চালিয়েছিলেন অ্যাডমিরাল অরুণ প্রকাশ। সেই সাহসিকতার স্বীকৃতি হিসেবে তিনি বীর চক্র পান। প্রায় ৪০ বছর নৌসেনায় কাজ করেছেন তিনি। ফাইটার স্কোয়াড্রন, এয়ার স্টেশন, আইএনএস বিরাট-সহ মোট চারটি যুদ্ধজাহাজ পরিচালনা করেছেন। নৌসেনাপ্রধান থাকাকালীন একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারও করেছিলেন তিনি।নোটিস পাওয়ার পর কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে অ্যাডমিরাল প্রকাশ লেখেন, এসআইআর ফর্মে যদি প্রয়োজনীয় তথ্য না পাওয়া যায়, তাহলে ফর্ম সংশোধন করা উচিত ছিল। তিনি আরও বলেন, বিএলও তিনবার তাঁদের বাড়িতে এসেছিলেন, তখনই অতিরিক্ত তথ্য চাওয়া যেত। তাঁর অভিযোগ, তিনি ও তাঁর স্ত্রী যথাক্রমে ৮২ ও ৭৮ বছর বয়সে পৌঁছেছেন, অথচ তাঁদের বাড়ি থেকে ১৮ কিলোমিটার দূরে শুনানিতে ডাকা হয়েছে, তাও আবার আলাদা আলাদা দিনে।এই মন্তব্য সামনে আসার পরই বিতর্ক তীব্র হয়। নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে ফের জানানো হয়েছে, প্রয়োজনীয় শনাক্তকরণ তথ্য না থাকলে বিএলও অ্যাপ স্বয়ংক্রিয়ভাবে ম্যাপিং করতে পারে না। সেই কারণেই সংশ্লিষ্ট ভোটারদের শুনানিতে ডাকা হচ্ছে বলে ব্যাখ্যা দিয়েছে কমিশন।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
বিদেশ

ইরানে বিক্ষোভে গ্রেপ্তার ভারতীয়রা? অভিযোগ উড়িয়ে মুখ খুলল তেহরান

খামেনেই প্রশাসনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভে উত্তাল ইরান। সেই অশান্ত পরিস্থিতির মধ্যেই ছড়িয়ে পড়েছে খবর, অন্তত ছজন ভারতীয় নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শুধু ভারতীয় নয়, বিক্ষোভ দমনের নামে অন্যান্য দেশের নাগরিকদেরও নাকি আটক করছে ইরানের প্রশাসন। এই অভিযোগ ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। তবে এই সব দাবি নিয়ে এবার প্রকাশ্যে মুখ খুলল তেহরান।মানবাধিকার সংগঠনগুলির দাবি, ইরানে চলমান বিক্ষোভে এখনও পর্যন্ত প্রায় আড়াই হাজার মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এরই মধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে যে, বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে ছজন ভারতীয় নাগরিককে আটক করা হয়েছে। অভিযোগ, সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুরের ঘটনায় তাঁরা জড়িত ছিলেন। তবে এই খবরকে কার্যত ভুয়ো বলে দাবি করেছেন ভারতে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত মহম্মদ ফাথালি।এক্স হ্যান্ডেলে একটি সংবাদ প্রতিবেদন শেয়ার করে ইরানের রাষ্ট্রদূত লেখেন, ইরান নিয়ে বিদেশি বহু সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট থেকে ভুয়ো খবর ছড়ানো হচ্ছে। তিনি সকলকে নির্ভরযোগ্য ও সরকারি সূত্র থেকে খবর জানার অনুরোধ জানান। যদিও বাস্তবে ইরান থেকে সঠিক তথ্য পাওয়া কঠিন হয়ে উঠেছে। বিক্ষোভ শুরুর পর থেকেই সেখানে ইন্টারনেট পরিষেবা কার্যত বন্ধ। পাশাপাশি বিদেশে ফোন করার উপরেও নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে প্রশাসন। ফলে মৃত ও গ্রেপ্তারির প্রকৃত সংখ্যা সরকারি হিসেবের তুলনায় অনেক বেশি হতে পারে বলেই অনুমান করা হচ্ছে।এই পরিস্থিতিতে ইরানে থাকা ভারতীয় নাগরিকদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন নয়াদিল্লি। সরকারিভাবে কিছু ঘোষণা না করা হলেও কেন্দ্রীয় সরকার সূত্রে জানা গিয়েছে, ইরানের পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হচ্ছে। প্রয়োজনে সেখানকার প্রবাসী ভারতীয়দের কীভাবে দেশে ফিরিয়ে আনা যায়, তা নিয়েও প্রাথমিক আলোচনা শুরু হয়েছে।এরই মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আশঙ্কাও ঘনীভূত হচ্ছে। পরিস্থিতি যেদিকে এগোচ্ছে, তাতে যে কোনও মুহূর্তে ইরানে সামরিক পদক্ষেপ করতে পারে আমেরিকা, এমনই আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুমকির পর এই জল্পনা আরও জোরদার হয়েছে।আমেরিকার সংবাদপত্র নিউ ইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ইরানের পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখছেন ট্রাম্প। এখনও পর্যন্ত কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না নেওয়া হলেও মার্কিন প্রশাসনের একাংশ মনে করছে, ইরানে হামলার বিকল্প ভাবছেন তিনি। তেহরান-সহ গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা ঘাঁটিতে আঘাত হানার পরিকল্পনাও আলোচনায় রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
দেশ

আইপ্যাক-কাণ্ডে সুপ্রিম কোর্টে বিস্ফোরক অভিযোগ! মমতার বিরুদ্ধে ‘চুরি-ডাকাতি’র তুলনা ইডির

আইপ্যাক-কাণ্ডে সুপ্রিম কোর্টে জোড়া পিটিশন দায়ের করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি। একটি পিটিশন দায়ের করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা নিজে। অন্যটি দায়ের করেছেন ইডির তিন আধিকারিক নিশান্ত কুমার, বিক্রম অহলওয়াত এবং প্রশান্ত চান্ডিলা। এই দুই মামলাতেই রাজ্য সরকারের পাশাপাশি যুক্ত করা হয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমার, কলকাতার নগরপাল মনোজ ভর্মা, কলকাতা পুলিশের ডিসি দক্ষিণ প্রিয়ব্রত রায় এবং সিবিআইকে।ইডির দায়ের করা পিটিশনে একাধিক গুরুতর অভিযোগ তোলা হয়েছে। আদালত সূত্রে খবর, পিটিশনে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ইডি অভিযানের সময় অযাচিত প্রবেশ এবং একটি ফাইল নিয়ে চলে যাওয়ার ঘটনাকে চুরি ও ডাকাতির সঙ্গে তুলনা করেছে তদন্তকারী সংস্থা। শুধু তাই নয়, ইডির কাজে যে বাধা দেওয়া হয়েছিল, তা মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশেই হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে পিটিশনে।এই মামলায় নিজেদের যুক্তি জোরদার করতে ইডি অতীতের তিনটি ঘটনার উল্লেখ করেছে। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, বিভিন্ন সময়ে কেন্দ্রীয় সংস্থার তদন্তে মুখ্যমন্ত্রী ঢাল হয়ে দাঁড়িয়েছেন, যা আইনের শাসনের পরিপন্থী।পিটিশনে প্রথম যে ঘটনার কথা বলা হয়েছে, তা ২০১৯ সালের ৩ ফেব্রুয়ারির। সারদা মামলায় তৎকালীন পুলিশ কমিশনার রাজীব কুমারের বাড়িতে সিবিআই হানার প্রতিবাদে ধর্মতলায় মুখ্যমন্ত্রীর ধর্নার প্রসঙ্গ তুলে ধরা হয়েছে। দ্বিতীয় ঘটনাটি ২০২১ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারির। কয়লা পাচার মামলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর স্ত্রী রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সিবিআই তাঁদের বাড়িতে পৌঁছনোর আগেই সেখানে হাজির হয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। তৃতীয় ঘটনাটি ২০২১ সালের ১৭ মে-র। নারদ মামলায় ফিরহাদ হাকিম, সুব্রত মুখোপাধ্যায়, মদন মিত্র এবং শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় গ্রেফতার হওয়ার পর নিজাম প্যালেসে গিয়ে সিবিআইয়ের সামনে ঢাল হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, এমনটাই দাবি ইডির।এতেই শেষ নয়। কলকাতা হাইকোর্টে একটি শুনানি ভেস্তে যাওয়ার নেপথ্যেও তৃণমূল কংগ্রেসকে দায়ী করেছে ইডি। তদন্তকারী সংস্থার অভিযোগ, শাসকদলের কর্মী-সমর্থকেরা হোয়াটসঅ্যাপ মারফত বার্তা পাঠিয়ে জমায়েত করেছিলেন।এই সব অভিযোগের ভিত্তিতে সুপ্রিম কোর্টের কাছে একাধিক আবেদন জানিয়েছে ইডি। মুখ্যমন্ত্রী যে বৈদ্যুতিন যন্ত্র নিয়ে গিয়েছিলেন, সেখান থেকে কোনও তথ্য যেন ডিলিট বা ক্লোন না করা হয়, সেই নির্দেশ চাওয়া হয়েছে। পাশাপাশি কয়লা পাচার তদন্তে যুক্ত কোনও কেন্দ্রীয় আধিকারিকের বিরুদ্ধে যেন কলকাতা বা বাংলার কোনও থানায় এফআইআর গ্রহণ না করা হয়, সেই আবেদনও জানানো হয়েছে। শেক্সপিয়ার সরণী থানায় দায়ের হওয়া এফআইআর স্থগিত রাখার আর্জিও জানানো হয়েছে। সবশেষে আইপ্যাক-কাণ্ডে সিবিআই তদন্তের দাবিও তুলেছে ইডি।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
কলকাতা

ইডি হানার পরই রাজ্যে বিশেষ বাহিনী! RAF নামল কলকাতায়

ইডির তল্লাশিতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ সামনে আসতেই রাজ্যে পাঠানো হল সিআরপিএফের বিশেষ বাহিনী। গত সপ্তাহের বৃহস্পতিবার আইপ্যাকের অফিস এবং আইপ্যাক কর্তা প্রতীক জৈনের বাড়িতে তল্লাশি চালায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। সেই সময় সেখানে পৌঁছে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিযোগ, তিনি কিছু নথি ও হার্ডডিস্ক সঙ্গে নিয়ে বেরিয়ে যান। তাঁর সঙ্গে ছিলেন রাজ্য পুলিশের শীর্ষ কর্তারা। এই ঘটনার পরেই রাজ্যে আসে সিআরপিএফের এক কোম্পানি র্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স বা RAF।সূত্রের খবর, ঝাড়খণ্ডের জামশেদপুর থেকে এই এক কোম্পানি RAF বাংলায় পাঠানো হয়েছে। আপাতত বাহিনীটিকে রাজারহাটের সিআরপিএফ ক্যাম্পে রিজার্ভে রাখা হয়েছে। ভবিষ্যতে যদি ইডি বা অন্য কোনও কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা তল্লাশিতে গিয়ে বাধার মুখে পড়ে, অথবা কোনও বড় আইনশৃঙ্খলার সমস্যা তৈরি হয়, তাহলে এই RAF বাহিনীকে কাজে লাগানো হবে।বিধানসভা নির্বাচনের আগে রাজ্যে কোনও রাজনৈতিক উত্তেজনা বা হিংসার ঘটনা ঘটলেও পরিস্থিতি সামাল দিতে নামানো হতে পারে এই বিশেষ বাহিনীকে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় RAF-এর কাছে রয়েছে বিশেষ গাড়ি ও অত্যাধুনিক সরঞ্জাম, যা দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।এদিকে আইপ্যাক-কাণ্ডের পর কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার নিরাপত্তা নিয়েও বাড়তি সতর্কতা নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে কলকাতার সিজিও কমপ্লেক্সে রয়েছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের দফতর। সিবিআই সেখান থেকে চলে যাওয়ার পর দীর্ঘদিন ওই কমপ্লেক্সে কোনও আধাসেনা মোতায়েন ছিল না। নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিল একটি বেসরকারি সংস্থা। তবে সাম্প্রতিক ঘটনার পর সিজিও কমপ্লেক্সের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক।আইপ্যাক-কাণ্ড ঘিরে রাজ্য ও কেন্দ্রের সংঘাতের আবহে এই পদক্ষেপকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে প্রশাসনিক মহল।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
দেশ

হোয়াটসঅ্যাপে নির্দেশ? এসআইআর মামলায় নির্বাচন কমিশনকে কাঠগড়ায় শীর্ষ আদালত

ভোটার তালিকার নিবিড় পরিমার্জন বা এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে বড় পদক্ষেপ করল সুপ্রিম কোর্ট। জাতীয় নির্বাচন কমিশনের কাছে নোটিস পাঠিয়েছে দেশের শীর্ষ আদালত। সোমবার তৃণমূল কংগ্রেসের দুই সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন এবং দোলা সেনের করা মামলার ভিত্তিতে এই নির্দেশ দিয়েছে আদালত।এদিন এসআইআর সংক্রান্ত মামলার শুনানি হয় প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর ডিভিশন বেঞ্চে। রাজ্যে চলা নিবিড় ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়া নিয়ে আলাদা করে মামলা করেছিলেন দুই তৃণমূল সাংসদ। সেই মামলার শুনানিতেই এদিন নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন ওঠে। সাংসদদের পক্ষে সওয়াল করেন প্রবীণ আইনজীবী কপিল সিব্বল।শুনানিতে কপিল সিব্বল অভিযোগ করেন, এসআইআর প্রক্রিয়ায় একাধিক গাফিলতি ও অনিয়ম হয়েছে। তাঁর দাবি, নির্বাচন কমিশন বহু ক্ষেত্রে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে নির্দেশ পাঠাচ্ছে, যা একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের পক্ষে গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি আরও জানান, বাংলার বহু ভোটারকে অযৌক্তিক ভাবে চিহ্নিত করে শুনানিতে ডাকা হচ্ছে। কমিশনের তরফে যে সব অমিল বা লজিক্যাল ডিসক্রেপ্যান্সির কথা বলা হচ্ছে, তার অনেকটাই বাস্তবে অযৌক্তিক বলে দাবি করেন তিনি।আইনজীবীর এই যুক্তি শুনে নির্বাচন কমিশনের কাছে জবাব তলব করে সুপ্রিম কোর্ট। আদালতের নির্দেশে কমিশনের উদ্দেশে নোটিস জারি করা হয়। শুনানিতে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জবাব দিতে তাদের দুসপ্তাহ সময় প্রয়োজন। কিন্তু প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, এই সপ্তাহের মধ্যেই হলফনামা জমা দিতে হবে।আদালত জানিয়েছে, আগামী সপ্তাহেই এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে। এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের এই কড়া অবস্থান ঘিরে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
কলকাতা

আরএসি নেই, ওয়েটিং নেই! বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন নিয়ে বড় ঘোষণা রেলের

আর মাত্র কয়েকদিনের অপেক্ষা। তারপরই বাংলা থেকে গড়াতে চলেছে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের চাকা। হাওড়া থেকে গুয়াহাটি পর্যন্ত চলবে এই নতুন প্রিমিয়াম ট্রেন। আগামী ১৭ জানুয়ারি মালদহ স্টেশন থেকে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এই ট্রেন চালু হওয়ার খবরে সাধারণ যাত্রীদের মধ্যে আগ্রহ তুঙ্গে।এবার বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন নিয়ে বড় আপডেট সামনে আনল রেল। জানানো হয়েছে, এই ট্রেনে কোনও আরএসি বা ওয়েটিং লিস্ট টিকিট থাকবে না। শুধুমাত্র কনফার্ম টিকিটেই যাত্রা করা যাবে। অর্থাৎ টিকিট কাটলে সিট বা বার্থ নিশ্চিত থাকবেই।রেল সূত্রে খবর, বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের ন্যূনতম ভাড়া ধরা হয়েছে ৪০০ কিলোমিটার দূরত্বের জন্য। রাজধানী এক্সপ্রেস বা শতাব্দী এক্সপ্রেসের মতো প্রিমিয়াম ট্রেনের তুলনায় এই ট্রেনের ভাড়া সামান্য বেশি হবে বলে জানানো হয়েছে। তবে যাত্রীদের জন্য থাকবে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা।রেলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই ট্রেনে মহিলাদের জন্য সংরক্ষণ থাকবে। পাশাপাশি বিশেষভাবে সক্ষম ব্যক্তি এবং প্রবীণ নাগরিকদের জন্যও আলাদা কোটা থাকছে। ডিউটি পাস কোটার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।ভাড়ার হিসাব অনুযায়ী, বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনে ৩এসি শ্রেণিতে প্রতি কিলোমিটার ভাড়া ধরা হয়েছে ২ টাকা ৪০ পয়সা। ২এসি শ্রেণিতে প্রতি কিলোমিটারে ভাড়া হবে ৩ টাকা ১০ পয়সা এবং ওয়ানএসি শ্রেণিতে ভাড়া হবে প্রতি কিলোমিটারে ৩ টাকা ৮০ পয়সা।যেহেতু ন্যূনতম ৪০০ কিলোমিটারের ভাড়া নেওয়া হবে, তাই ৩এসি শ্রেণিতে ৪০০ কিলোমিটার পর্যন্ত যাত্রার জন্য খরচ পড়বে ৯৬০ টাকা। ২এসি শ্রেণিতে এই ভাড়া হবে ১২৪০ টাকা এবং ওয়ানএসি শ্রেণিতে ভাড়া পড়বে ১৫২০ টাকা। এই ভাড়ার সঙ্গে অতিরিক্ত জিএসটি যোগ হবে।হাওড়া থেকে গুয়াহাটির দূরত্ব প্রায় ১০০০ কিলোমিটার। এই পথে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনে ৩এসি শ্রেণিতে ভাড়া হবে প্রায় ২৪০০ টাকা, ২এসি শ্রেণিতে ৩১০০ টাকা এবং ওয়ানএসি শ্রেণিতে ভাড়া পড়বে প্রায় ৩৮০০ টাকা।রেল সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, ভবিষ্যতে ২০০০ কিলোমিটার দূরত্বের যাত্রায় ৩এসি শ্রেণিতে ভাড়া হবে প্রায় ৪৮০০ টাকা, ২এসি শ্রেণিতে ৬২০০ টাকা এবং ওয়ানএসি শ্রেণিতে ৭৬০০ টাকা। ৩০০০ কিলোমিটার দূরত্বের ক্ষেত্রে ৩এসি শ্রেণিতে ভাড়া হবে প্রায় ৭২০০ টাকা, ২এসি শ্রেণিতে ৯৩০০ টাকা এবং ওয়ানএসি শ্রেণিতে ভাড়া পৌঁছবে প্রায় ১১ হাজার ৪০০ টাকায়।বর্তমানে হাওড়া থেকে গুয়াহাটি পর্যন্ত চলা সরাইঘাট এক্সপ্রেসে সর্বোচ্চ ভাড়া ৩এসি শ্রেণিতে ১৪১০ টাকা, ২এসি শ্রেণিতে ১৯৮৫ টাকা এবং ওয়ানএসি শ্রেণিতে ৩৩২০ টাকা।সময়সূচি অনুযায়ী, হাওড়া থেকে গুয়াহাটিগামী বন্দে ভারত স্লিপার এক্সপ্রেস ছাড়বে সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটে এবং পরের দিন সকাল ৮টা ২০ মিনিটে গুয়াহাটিতে পৌঁছবে। গুয়াহাটি থেকে এই ট্রেন ছাড়বে সন্ধ্যা ৬টা ১৫ মিনিট নাগাদ এবং পরের দিন সকাল ৮টা ১৫ মিনিটে হাওড়ায় পৌঁছবে। সপ্তাহে ছয় দিন এই ট্রেন চলবে। বৃহস্পতিবার ট্রেনটি চলবে না।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
রাজ্য

কাজের কাগজেই ভোটাধিকার! উত্তরবঙ্গের চা বাগান শ্রমিকদের জন্য বড় ছাড় নির্বাচন কমিশনের

উত্তরবঙ্গের চা এবং সিঙ্কোনা বাগানে কর্মরত শ্রমিকদের জন্য বিশেষ ছাড় ঘোষণা করল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। ভোটার তালিকায় নাম তোলার ক্ষেত্রে এবার কাজের নথিই যথেষ্ট বলে জানানো হয়েছে। এর ফলে বহু বাগান শ্রমিকের ভোটাধিকার পাওয়ার পথ অনেকটাই সহজ হল।রবিবার এই সংক্রান্ত একটি নির্দেশিকা রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরে পাঠিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। নির্দেশিকায় স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় নাম তুলতে হলে সংশ্লিষ্ট চা বা সিঙ্কোনা বাগানে কাজ করার প্রমাণপত্র জমা দিলেই হবে। তবে তার সঙ্গে বৈধ বাসস্থানের প্রমাণপত্র যুক্ত করা বাধ্যতামূলক। এই দুটি নথি থাকলেই ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত করতে আর কোনও সমস্যা হবে না।এই বিশেষ ছাড় শুধুমাত্র উত্তরবঙ্গের সাতটি জেলার জন্য প্রযোজ্য। দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর এবং কোচবিহার জেলার চা ও সিঙ্কোনা বাগানের শ্রমিকরাই এসআইআর পর্বে এই সুবিধা পাবেন।প্রসঙ্গত, ভোটার তালিকায় নাম তোলার জন্য প্রথমে মোট ১১টি নথি নির্ধারণ করেছিল নির্বাচন কমিশন। পরে আরও দুটি নথি যুক্ত করা হয়আধার কার্ড এবং বিহারের এসআইআর সংক্রান্ত নথি। কিন্তু বাস্তবে দেখা যায়, উত্তরবঙ্গের বহু চা ও সিঙ্কোনা বাগানের শ্রমিকের কাছেই এই নথিগুলি নেই। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে তাঁরা বাগানের সঙ্গে যুক্ত থাকলেও আধুনিক পরিচয়পত্র অনেকের কাছেই অধরা।এই পরিস্থিতিতে উত্তরবঙ্গের সাত জেলার জেলাশাসকরা নির্বাচন কমিশনের কাছে আবেদন জানান, যাতে বাগানের কাজের নথিকেই ভোটার তালিকাভুক্তির প্রমাণ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। অবশেষে সেই দাবিতে সায় দিল জাতীয় নির্বাচন কমিশন।এর পাশাপাশি, রাজ্যের প্রান্তিক এবং বিচ্ছিন্ন এলাকার মানুষের কথা মাথায় রেখে এসআইআর শুনানি প্রক্রিয়াতেও বড় পরিবর্তন এনেছে কমিশন। ডিসেন্ট্রালাইজড হিয়ারিং সেন্টার বা বিকেন্দ্রীভূত শুনানি কেন্দ্র চালু করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এর ফলে দুর্গম বা প্রত্যন্ত এলাকায় বসবাসকারী মানুষও সহজে এসআইআর শুনানিতে অংশ নিতে পারবেন। নির্বাচন প্রক্রিয়ায় সকলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ বলে জানিয়েছে কমিশন।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬
কলকাতা

কলকাতা হাইকোর্টে নতুন প্রধান বিচারপতি কে? জানুন বিচারপতি সুজয় পালের পুরো প্রোফাইল

কলকাতা হাইকোর্টের নতুন প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিযুক্ত হলেন বিচারপতি সুজয় পাল। এতদিন তিনি ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব সামলাচ্ছিলেন। গত ৯ জানুয়ারি সুপ্রিম কোর্টের কলেজিয়ামের বৈঠকে তাঁর নামেই কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি পদে চূড়ান্ত সিলমোহর দেওয়া হয়।প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি টি এস শিবজ্ঞানম অবসর নেওয়ার পর থেকেই ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির দায়িত্বে ছিলেন বিচারপতি সুজয় পাল। তার আগে এই পদে ছিলেন বিচারপতি সৌমেন সেন। পরে তাঁকে মেঘালয় হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগের সুপারিশ করা হলে সেই পদে আসেন বিচারপতি সুজয় পাল।বিচারপতি সুজয় পালের জন্ম একটি প্রবাসী বাঙালি পরিবারে। তবে তাঁর বেড়ে ওঠা মধ্যপ্রদেশে। তিনি এলএস ঝা মডেল স্কুলে পড়াশোনা করেন। পরে মধ্যপ্রদেশের জব্বলপুরে রাণি দুর্গাবতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। সেখান থেকেই আইন বিষয়ে পড়াশোনা করে এলএলবি ডিগ্রি লাভ করেন তিনি।আইনজীবী হিসেবে দীর্ঘদিন কাজ করার পর ২০১১ সালে তিনি জব্বলপুরে মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টের বিচারক হিসেবে নিযুক্ত হন। পরে তাঁর ছেলে মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টে আইনজীবী হিসেবে কাজ শুরু করায় তাঁকে তেলঙ্গানা হাইকোর্টে বদলি করা হয়। এরপর ২০২৫ সালের ২৬ মে বি আর গাভাইয়ের নেতৃত্বে সুপ্রিম কোর্টের কলেজিয়াম তাঁকে কলকাতা হাইকোর্টে বদলির সুপারিশ করে।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, ২০১৮ সালে কলকাতা হাইকোর্টের তৎকালীন প্রধান বিচারপতির অবসরের পর আর কোনও বাঙালি বিচারপতি এই পদে আসেননি। সেই পরিস্থিতি এখনও বদলাল না। নতুন প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল দায়িত্ব নেওয়ার মধ্য দিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে ফের এক নতুন অধ্যায় শুরু হল বলে মনে করছেন আইন মহলের একাংশ।

জানুয়ারি ১২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal